আবার দা লুজে: যে স্টেডিয়ামে জেতা হয়েছিল লা দেসিমা

Peña Madridista Bangladesh
Wed, Jan 28, 2026

বেনফিকার এস্তাদিও দা লুজে রেয়াল মাদ্রিদের ফেরা মনে করিয়ে দিল ২৪ মে ২০১৪-এর সেই রাত: ৯৩ মিনিটে রামোস, আর দশম ইউরোপিয়ান কাপ।
কিছু স্টেডিয়াম শুধুই খেলার মাঠ। কিন্তু মাদ্রিদিস্তাদের কাছে লিসবনের এস্তাদিও দা লুজ তার চেয়ে অনেক বেশি কিছু। এখানেই এসেছিল লা দেসিমা। তাই চ্যাম্পিয়ন্স লিগের লিগ পর্বের ড্রয়ে যখন শেষ ম্যাচডেতে রেয়াল মাদ্রিদকে আবার বেনফিকার মাঠে পাঠানো হলো, ২০১৪-এর কথা মনে না পড়ে উপায় ছিল না।
২৪ মে ২০১৪
দশম ইউরোপিয়ান কাপের জন্য রেয়াল মাদ্রিদ অপেক্ষা করছিল বারো বছর, আর আতলেতিকো দে মাদ্রিদের বিপক্ষে ফাইনালের বেশিরভাগ সময় মনে হচ্ছিল অপেক্ষাটা আরও দীর্ঘ হবে। যোগ করা সময় পর্যন্ত এগিয়ে ছিল আতলেতিকো। তারপর ৯৩ মিনিটে কর্নার থেকে হেডে গোল করলেন সের্হিও রামোস, আর মুহূর্তেই সব পাল্টে গেল। অতিরিক্ত সময়ে আরও তিন গোল করে মাদ্রিদ জিতল ৪-১ ব্যবধানে।
ক্লাবের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশিবার ফিরে দেখা মুহূর্তগুলোর একটি এই হেড। যেকোনো মাদ্রিদিস্তাকে জিজ্ঞেস করুন খেলাটা কোথায় বসে দেখেছিলেন, বেশিরভাগই উত্তরটা মনে রেখেছেন।
এক যুগের সূচনা
লা দেসিমা শুধু দীর্ঘ অপেক্ষারই অবসান ঘটায়নি। ইউরোপে কোনো ক্লাবের সবচেয়ে সফল সময়গুলোর একটির দরজাও খুলে দিয়েছিল, পরের বছরগুলোতে আসে আরও ইউরোপিয়ান কাপ। ২০১৪-এর স্কোয়াডের সদস্য আলভারো আরবেলোয়া বহু বছর পর রেয়াল মাদ্রিদের প্রধান কোচ হিসেবে এই স্টেডিয়ামে ফিরে বলেছিলেন, সেই যুগের শুরু এখান থেকেই।
স্টেডিয়াম সম্পর্কে
এস্তাদিও দো স্পোর্ত লিসবোয়া ই বেনফিকা চালু হয় ২০০৩ সালের ২৫ অক্টোবর। সর্বশেষ সম্প্রসারণের পর এর ধারণক্ষমতা ৬৮,১০০ জন, যা একে পর্তুগালের সবচেয়ে বড় স্টেডিয়াম বানিয়েছে। লা দেসিমা ছাড়াও এখানে হয়েছে পিএসজি ও বায়ার্ন মিউনিখের মধ্যকার ২০১৯-২০ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনাল, আর এটি পর্তুগাল জাতীয় দলের হোম মাঠগুলোর একটি।
তবে আমাদের কাছে এটি চিরকাল থেকে যাবে ৯৩ মিনিটের স্টেডিয়াম হয়েই।

Peña Madridista Bangladesh
মেম্বারশিপ নিবন্ধন আবার খুলবে মার্চ ২০২৭-এ।
আলোচনা
কমিউনিটির সাথে আপনার মতামত শেয়ার করুন
মন্তব্য লোড হচ্ছে…